November 4, 2026, 1:24 am

শিরোনাম ::
সিলেটে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ সমাবেশে বক্তারা ওসমানী হাসপাতালের হামলাকারী ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি পাবনায় বজ্রপাতে একসঙ্গে ছয়জনের মৃত্যু উপজেলা আইন-শৃংখলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দক্ষিণ সুরমাকে একটি আদর্শ উপজেলায় রূপান্তরিত করতে সহযোগিতা চাই—ইউএনও সিলেটে লাক্কাতুরা চা বাগানে পর্যটকের জোয়ার, সিএনজির ভাড়ায় নৈরাজ্যে আমায়রা কিডস্ এন্ড ক্যুইন ফ্যাশন-এর উদ্বোধন সৌদিতে ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে ৫৯ বিদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর ইনজুরিতে পড়া কাভারাৎসখেলিয়াকে নিয়ে রোনালদোর আবেগঘন বার্তা সাধারণ নাগরিকদের জীবন নিয়ে তামাশা করার অধিকার কারও নেই: জামায়াত আমির সিলেটে ইমিগ্রেশন থেকে আটক আওয়ামী লীগ নেতা কামাল চেয়ারম্যান ধুনট উপজেলা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা
মৌলভীবাজারে ৮৯৭ হেক্টর ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে

মৌলভীবাজারে ৮৯৭ হেক্টর ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি : মৌলভীবাজার জেলায় টানা পাঁচ দিনের ভারী বর্ষণ ও উজানের পানিতে হাওরাঞ্চলের পাকা ও আধাপাকা বোরো ধানসহ ৮৯৭ হেক্টর জমির ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে।
জেলার হাকালুকি হাওর ও কাউয়াদীঘি হাওর এলাকায় এই ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। কৃষকদের অভিযোগ, কাশিমপুর পাম্প হাউস যথাযথভাবে পরিচালিত না হওয়া এবং সেচ পাম্প নিয়মিত সচল না থাকায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, পাম্পগুলো সচল রয়েছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক জালাল উদ্দিন জানান, মোট ৬২ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে, যার মধ্যে হাওরাঞ্চলে রয়েছে ২৭ হাজার ৩৫৫ হেক্টর। এর মধ্যে প্রায় ৮৫ শতাংশ ধান ইতোমধ্যে কাটা হয়েছে। তিনি বলেন, সব মিলিয়ে ৮৯৭ হেক্টর জমির ফসল পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। তবে বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি। বৃষ্টি কমলেই ধান কাটা শেষ হবে।
টানা বৃষ্টি, পানির উচ্চতা বৃদ্ধি এবং বজ্রপাতের আশঙ্কায় অনেক কৃষক এখনো মাঠে নামতে পারছেন না। এতে বোরো ধানের পাশাপাশি সবজি ক্ষেত ও আউশ ধানের বীজতলাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এদিকে বৃষ্টি ও উজানের ঢলে জেলার নদ-নদীগুলোর পানিও বাড়ছে। জুড়ী নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যদিও অন্য নদ-নদীর পানি এখনো বিপদসীমার নিচে রয়েছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী খালেদ বিন ওয়ালিদ বলেন, কয়েক দিনের বৃষ্টিতে নদ-নদীর পানি বেড়েছে। হাকালুকি হাওর পানিতে ভরে গেলে জুড়ী নদীতে পানি বাড়ে। বর্তমানে জুড়ী নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে, তবে অন্যান্য নদীর পানি এখনো নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
আবহাওয়া অফিস ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েক দিন ধরে জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। এতে জেলা শহরের খাল-নালা উপচে পানি প্রবাহিত হচ্ছে এবং নিচু এলাকার অনেক বাসাবাড়ি, দোকানপাট ও সড়কে পানি উঠেছে।
কৃষি বিভাগ জানায়, সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে হাওরাঞ্চলে নতুন করে আরও প্রায় সাড়ে ৩০০ হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত হয়েছে। তবে বৃষ্টি কমলে পানিও দ্রুত নেমে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।


Comments are closed.




© All rights reserved © sylheteralo24.com
sylheteralo24.com