June 18, 2026, 1:45 am

বিজ্ঞপ্তি :::
Welcome To Our Website...
শিরোনাম ::
মোগলাবাজার থানায় নির্যাতিত নারীর অভিযোগ ১ মাস ফাইলচাপা এসএমপি কমিশনার বরাবরে আবেদনের খবর পেয়ে সাথে সাথে আইও বদল নির্মল সমীরণে আমাদের একদিন চঞ্চল মাহমুদ ফুলর দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাব, সিলেট’র নতুন সদস্য হতে আগ্রহীদের ফরম সংগ্রহের আহবান যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাবুল মিয়ার দেশে ফেরার আনন্দে মিলনমেলা কদমতলী ওভার ব্রিজ: প্রতিদিনের ভোগান্তি, সময়ের অপচয় বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারি সমন্বয় পরিষদ সিলেট বিভাগীয় জেলার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন ফুটপাত ভাড়া দিয়ে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি করছে অসাধু একটি চক্র কলম, সেবা আর দায়িত্বের আরেক নাম – ছাদিকুর রহমান সুহেল পুলিশ প্রতিনিধি ছাড়াই হচ্ছে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা আইন-শৃংখলা কমিটির সভা চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীর দৌরাত্মে তটস্থ প্রতিবেশীরা ইছবর-আকবর চক্র দাপট দেখিয়ে কেড়ে নিচ্ছেন স্বজনদের বাড়ি-জমি
মোগলাবাজার থানায় নির্যাতিত নারীর অভিযোগ ১ মাস ফাইলচাপা এসএমপি কমিশনার বরাবরে আবেদনের খবর পেয়ে সাথে সাথে আইও বদল

মোগলাবাজার থানায় নির্যাতিত নারীর অভিযোগ ১ মাস ফাইলচাপা এসএমপি কমিশনার বরাবরে আবেদনের খবর পেয়ে সাথে সাথে আইও বদল

মোগলাবাজার থানায় নির্যাতিত নারীর অভিযোগ ১ মাস ফাইলচাপা
এসএমপি কমিশনার বরাবরে আবেদনের খবর পেয়ে সাথে সাথে আইও বদল
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) কমিশনার বরাবরে অভিযোগ পেশ করার খবর পেয়ে সাথে সাথেই মোগলাবাজার থানার ওসি বদলি করে দিলেন তদন্তকারী কর্মকর্তাকে। নির্দেশ দিলেন তড়িৎ ব্যবস্থা গ্রহণের। অথচ বিগত ১ মাসের অধিক সময় থেকে অভিযোগটি অবহেলার শিকার হয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও)র ফাইলের নিচে চাপা দেয়া ছিল।
এসএমপি কমিশনার বরাবরে দেয়া অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, সিলেটের দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজার থানার সিলাম ইউনিয়নের নিজ সিলাম গ্রামের মৃত তজব আলীর বড় মেয়ে বিলকিছ বেগম স্বামী ও ৩ সন্তান নিয়ে পিত্রালয়ের পাশে একটি বাসায় ভাড়া থাকেন। স্বামী চলৎশক্তিহীন প্রতিবন্ধী হলেও একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ছোটখাটো চাকুরি করে সংসার প্রতিপালন করেন। এরমধ্যেও খেয়ে না খেয়ে অর্থ জমিয়ে নিকটাত্মীয় থেকে পৈতৃক বাড়ির পাশে অল্প কিছু ভিটারকম ভূমি খরিদ করেন। যথারীতি নিয়ম অনুযায়ী দলিল সম্পাদন করে নামজারী ইত্যাদি শেষে গত ১৩ মে খরিদা ভূমির উপর ঘর নির্মাণ ও সীমানা প্রাচীর স্থাপন করতে গেলে প্রতিবেশী সুবেদর আলীর ছেলে ইছবর আলী ও আকবর আলী গং ব্যক্তিবর্গ বাঁধা দেন। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ইছবর আলী, আকবর আলীসহ তাদের সহযোগীদের হাতে বিলকিছ বেগম নির্যাতনের শিকার হন। একই ঘটনায় বিলকিছ বেগমের চাচা রজব আলী, ছোট ভাই মিম্বর আলী, চাচাতো বোন সুমাইয়াসহ আরো কয়েকজন আহত হন।
দক্ষিণ সুরমা উপজেলা হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে বিলকিছ বেগম এসএমপি’র মোগলাবাজার থানায় নিজে বাদী হয়ে একটি অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগটি তদন্তের দায়িত্ব পড়ে থানার এসআই জিতেন বাবুর হাতে। ঘটনার ৩ দিন পর এসআই জিতেন ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। পুলিশ দেখে অভিযুক্তরা আরো ক্ষেপে যায়। তারা পুলিশের সামনেই বিলকিছ গংদের মারতে আসে। কিন্তু পুলিশ কিছু না বলে বাদীপক্ষ কে ঘরের ভেতরে অবস্থান করতে বলে থানায় ফিরে যায়।
এরপর আর কোন খবর নেই। অভিযুক্তরা বারবার বাদী বিলকিছ বেগমকে নানাভাবে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিল। হাইস্কুল পড়ুয়া নাবালিকা মেয়েকে অপহরণের ভয় দেখাচ্ছিল। আতঙ্কিত বিলকিছ ভয়ে এসআই জিতেনকে ফোন দিলে তিনি কল রিসিভ করেন নি। অসহায় অবস্থায় বিলকিছ বেগম থানায় ছুটে যান। এসআই জিতেনকে খোঁজ করে না পেয়ে ওসির সাথে দেখা করতে চান। কিন্তু অসুস্থ থাকায় ওসিকেও পাওয়া যায়নি। তখন থানার ‘সেকেন্ড অফিসার’ নামে পরিচিত এসআই মোশাররফ হোসেন এগিয়ে এসে বিলকিছ বেগমকে সান্তনা দেন এবং বলেন এসআই জিতেন একটু বাইরে আছেন। ফিরে এলেই আপনার অভিযোগের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কিন্তু বাস্তবে কোন গুরুত্ব দেয়া হয়নি।
এরপরও বিলকিছ বেগম আইও এবং এসআই মোশাররফকে কল দিয়েছেন। তবে কোন সুফল পাননি। শেষপর্যন্ত তিনি গত ১৫ জুন বিকেলে এসএমপি কমিশনার বরাবরে একটি আবেদন জমা দেন। আবেদনের অনুলিপি এসএমপি উপ-কমিশনার এবং মোগলাবাজার থানার ওসিকেও হস্তান্তর করেন। হস্তান্তরকালে থানা কম্পাউন্ডে ওসি অবস্থান করছিলেন। খবর পেয়ে সাথে সাথে বাদীকে ডেকে ওনার সামনেই এসআই জিতেনকে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চান। কিন্তু কোন সদুত্তর না পেয়ে অভিযোগ তদন্তের জন্য এসআই দিপংকর তালুকদারকে নতুন করে দায়িত্ব দিয়ে দ্রুততার সাথে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া নির্দেশ দেন।
দরখাস্তকারী বিলকিছ বেগম ওসির এ ব্যবহারে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং তাঁকে ধন্যবাদ জানান।
উল্লেখ্য, অভিযুক্ত ইছবর আলী এলাকায় একজন মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবী হিসেবে পরিচিত। সহোদয় ছোট ভাই আকবর আলী তার সকল অপকর্মের সহযোগী। এ চক্রের নানারকম অত্যাচারে এলাকার সাধারণ মানুষ অতীষ্ঠ। এমনই এক ঘটনার প্রতিবাদে ইছবর গংদের বিরুদ্ধে বিলকিছের ছোট ভাই মিম্বর আলী গত ২৭ এপ্রিল মোগলাবাজার থানায় একটি জিডি (জিডি নং-১৩৩৮) করেন, যা এখনও তদন্তাধীন রয়েছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

1 × four =

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.




© All rights reserved © sylheteralo24.com
sylheteralo24.com