November 5, 2026, 3:03 am

শিরোনাম ::
সিলেটে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ সমাবেশে বক্তারা ওসমানী হাসপাতালের হামলাকারী ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি পাবনায় বজ্রপাতে একসঙ্গে ছয়জনের মৃত্যু উপজেলা আইন-শৃংখলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দক্ষিণ সুরমাকে একটি আদর্শ উপজেলায় রূপান্তরিত করতে সহযোগিতা চাই—ইউএনও সিলেটে লাক্কাতুরা চা বাগানে পর্যটকের জোয়ার, সিএনজির ভাড়ায় নৈরাজ্যে আমায়রা কিডস্ এন্ড ক্যুইন ফ্যাশন-এর উদ্বোধন সৌদিতে ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে ৫৯ বিদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর ইনজুরিতে পড়া কাভারাৎসখেলিয়াকে নিয়ে রোনালদোর আবেগঘন বার্তা সাধারণ নাগরিকদের জীবন নিয়ে তামাশা করার অধিকার কারও নেই: জামায়াত আমির সিলেটে ইমিগ্রেশন থেকে আটক আওয়ামী লীগ নেতা কামাল চেয়ারম্যান ধুনট উপজেলা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা
প্রেমিকাকে হত্যা করে লাশের পাশেই দু’দিন ঘাতক প্রেমিক

প্রেমিকাকে হত্যা করে লাশের পাশেই দু’দিন ঘাতক প্রেমিক

পরকীয়া প্রেমের সূত্র ধরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে রাতভর ফুর্তি করে ভোরে লিমা আক্তার লিমু (১৮)কে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। দুই দিন দোকানের র‌্যাকের ভেতর লাশ লুকিয়ে রাখার পর ৩ দিনের মাথায় রাত ১১টার দিকে কাপড়ের বস্তার ভেতর মুড়ে ছাদ থেকে লাশ নিচে ফেলে দেয়া হয়। এর পর পাষণ্ড প্রেমিক স্বাভাবিকভাবে বসে ছিলেন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। লাশ উদ্ধারের জন্য পুলিশকে খবর দেয়া হলে ঘাতক প্রেমিক খোকন পালিয়ে যান। সোমবার দুপুরে খোকন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

পুলিশ জানায়, ৬ মাস পূর্বে লিমুর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে উঠে বাড়ৈখালী বাজারের চাঁন সুপার মার্কেটের দর্জিঘর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক খোকনের। গত ২৮শে আগস্ট বিকালে বাড়ৈখালী গ্রামের আ. মতিনের মেয়ে লিমু প্রেমিক খোকনের দোকানে যায়। লিমু সেখানে গিয়ে ৩০ হাজার টাকা দাবি করে। প্রেমিক খোকন প্রলোভন দেখিয়ে লিমুকে দোকানের ভেতর রেখে রাত্রি যাপন করে। খোকন ভোররাতে লিমুকে চলে যেতে বললে সে টাকা দাবি করে। টাকা না পেলে লিমু ঘটনা ফাঁস করে দিবে বলে জানায়। এ সময় কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে খোকন গলায় চাপ দিয়ে শ্বাসরোধ করে লিমুকে হত্যা করে। হত্যার পর লাশ কাপড়ের র‌্যাকের বাক্সে লুকিয়ে রেখে ঠাণ্ডা মাথায় দোকানদারি করে। পরদিনও সারাদিন দোকানদারি করে রাত ১১টার দিকে লিমুর লাশ বস্তায় মুড়িয়ে মার্কেটের ছাদ থেকে নিচে ফেলে দেয়। ৩১শে আগস্ট দুপুরে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে খোকন পালিয়ে যায়। পুলিশ ওইদিনই দোকানের র‌্যাকে রক্তের দাগ ও লাশ পচা গন্ধের সূত্র ধরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য খোকনের দুই ভাই ও ২ কর্মচারীকে আটক করে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শ্রীনগর সার্কেল) কাজী মাকসুদা লিমার নেতৃত্বে অভিযানে নামে পুলিশ। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে রোববার দিন দুই সন্তানের জনক খোকনকে টঙ্গী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শ্রীনগর থানার ওসি (তদন্ত) মো. মাসুদুর রহমান জানান, খোকন আদালতে স্বীকরোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। নিখোঁজের ৪ দিনের মাথায় লাশ উদ্ধারের পর লিমুর বাবা বাদী হয়ে খোকনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।সুত্রঃ মানবজমিন


Comments are closed.




© All rights reserved © sylheteralo24.com
sylheteralo24.com