মাজারের দখলদারিত্ব নিয়ে হামলা-পাল্টা হামলাকালে প্রবাসীর বাড়িতে ভাংচুর-লুটপাটের ঘটনায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ
সিলেটের আলো ::
মাজারের দখলদারিত্ব নিয়ে হামলা-পাল্টা হামলাকালে নিজের বাড়িতে ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সিলাম শেখপাড়া নিবাসী, বর্তমানে যুক্তরাজ্য প্রবাসী, লন্ডন মহানগর বিএনপি নেতা, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাব, সিলেট’র আজীবন সদস্য রুমেল আহমদ। এমন অনাহূত ঘটনাকালে তাঁর বাড়িতে হামলা, লুটপাট ও ভাংচুরের ঘটনায় তিনি তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন। গতকাল ২৪ আগস্ট সোমবার যুক্তরাজ্য থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
বিবৃতিতে অসহায়ত্ব প্রকাশ করে তিনি জানান, গত ২১ আগস্ট শুক্রবার সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সিলাম ইউনিয়নের চকেরবাজারে হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর অনুসঙ্গী, ৩৬০ আউলিয়ার অন্যতম হযরত তৈয়ব ছয়লানী (রহ.)-এর মাজারের দখলদারিত্ব নিয়ে বিবদমান দু’টো পক্ষের হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। অনাকাঙ্খিত এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহতও হন। ঘটনার সময় আমি নিজে প্রবাসে এবং আমার বাড়িতে একজন কেয়ারটেকার ছাড়া আর কেউ অবস্থান করছিল না। কিন্তু মাজারের পাশে চকেরবাজার সংলগ্ন আমার বাড়িটির অবস্থান থাকায় সুযোগ বুঝে মহলবিশেষ নিতান্ত অন্যায়ভাবে আমার বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটপাট ও ভাংচুর করেন। এতে আমি ও আমার পরিবারবর্গ আর্থিকভাবে বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যা খুবই দুঃখজনক এবং অমানবিকও বটে। এ ঘটনায় আমি ও আমার পরিবারবর্গ অত্যন্ত ব্যথিত ও মর্মাহত হয়েছি, যা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয় না।
তিনি বলেন, পরিবারের লোকজনবিহীন শূন্য বাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট চালিয়ে মহলবিশেষ লাভবান হলেও একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা হিসেবে আমি অন্তরে আঘাত পেয়েছি। যা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।
তিনি বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে আমি ২৪ আগস্ট সোমবার বাংলাদেশ সময় অপরাহ্ন ২.৩৬ মিনিটে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি)’র মোগলাবাজার থানার ওসি ইন্সপেক্টর মনির হোসেনকে হোয়াটস্ অ্যাপ-এ কল দিয়েছিলাম। কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় যে, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারি হয়েও তিনি আমার মতো একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধার কল রিসিভ করেন নি। আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর মতো প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের কর্মচারিরা যদি এভাবে রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের অবজ্ঞা করে থাকেন, তাহলে দেশের সাধারণ জনগণের কী অবস্থা? তা সহজেই অনুমেয়।
তিনি এ রকমের অন্যায় এবং অযৌক্তিক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে সকল মহলকে সোচ্চার হওয়ার আহবান জানিয়ে বলেন, মাজারের মতো স্পর্শকাতর ও পবিত্র স্থানের দখলদারিত্ব নিয়ে হানাহানি এবং রক্তারক্তি কোন বিবেকবান মানুষ মেনে নিতে পারে না।
Leave a Reply