November 5, 2026, 1:07 am

শিরোনাম ::
সিলেটে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ সমাবেশে বক্তারা ওসমানী হাসপাতালের হামলাকারী ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি পাবনায় বজ্রপাতে একসঙ্গে ছয়জনের মৃত্যু উপজেলা আইন-শৃংখলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দক্ষিণ সুরমাকে একটি আদর্শ উপজেলায় রূপান্তরিত করতে সহযোগিতা চাই—ইউএনও সিলেটে লাক্কাতুরা চা বাগানে পর্যটকের জোয়ার, সিএনজির ভাড়ায় নৈরাজ্যে আমায়রা কিডস্ এন্ড ক্যুইন ফ্যাশন-এর উদ্বোধন সৌদিতে ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে ৫৯ বিদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর ইনজুরিতে পড়া কাভারাৎসখেলিয়াকে নিয়ে রোনালদোর আবেগঘন বার্তা সাধারণ নাগরিকদের জীবন নিয়ে তামাশা করার অধিকার কারও নেই: জামায়াত আমির সিলেটে ইমিগ্রেশন থেকে আটক আওয়ামী লীগ নেতা কামাল চেয়ারম্যান ধুনট উপজেলা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা
যান্ত্রিক ত্রুটিতে বন্ধ বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র

যান্ত্রিক ত্রুটিতে বন্ধ বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র

রুকুনুজ্জামান, পার্বতীপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুরের পার্বতীপুরে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের চালু থাকা সর্বশেষ ইউনিটটিও বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে ১২৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায়। ফলে উত্তরাঞ্চলের অন্তত ৮ জেলায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কেন্দ্রটির প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, বয়লারের পাইপ লিকেস হয়ে যাওয়া এবং কুলিং ফ্যান ভেঙে যাওয়ার কারণে রাত ১০টা ১০ মিনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।
তিনি বলেন, “মেরামত কাজ চলছে। উৎপাদন পুনরায় চালু করতে ৪ থেকে ৫ দিন সময় লাগতে পারে।”
এর আগে দীর্ঘদিন ধরে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ২ নম্বর ইউনিট এবং ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৩ নম্বর ইউনিট বন্ধ রয়েছে।
উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে মোট তিনটি ইউনিট রয়েছে, যার সম্মিলিত উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ২ নম্বর ইউনিটটি ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে যান্ত্রিক ত্রুটি ও সংস্কার কাজের কারণে দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। এরপর থেকে মূলত ১ ও ৩ নম্বর ইউনিট দিয়ে উৎপাদন চালানো হচ্ছিল।
তবে এই ইউনিটগুলোও বিভিন্ন সময় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে পড়ে। গত বছর (২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও অক্টোবর) বয়লার লিকেজ, টিউব ফেটে যাওয়া এবং টারবাইন সেন্সর নষ্ট হওয়ার মতো সমস্যায় উৎপাদন বন্ধ হয়েছিল।
বারবার এমন ত্রুটির কারণে পুরোনো এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এতে উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এদিকে জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত থাকলেও চাহিদা অনুযায়ী তা পাওয়া যাচ্ছে না। চলমান ভ্যাপসা গরমে (৩৫–৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস) পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। দিন-রাত বিভিন্ন সময়ে লোডশেডিংয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ।


Comments are closed.




© All rights reserved © sylheteralo24.com
sylheteralo24.com