August 5, 2026, 6:25 am

বিজ্ঞপ্তি :::
Welcome To Our Website...
শিরোনাম ::
সিলেট জেলার শ্রেষ্ট এএসআই হলেন কানাইঘাট থানার জিয়াউল হক দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাবের বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানে তাজরুল ইসলাম তাজুল ধীরগতির কারণে ৪২ নং ওয়ার্ডের সড়ক-ড্রেন কাজে জনদুর্ভোগ, দ্রুত কাজ শেষের দাবি ডাচ্ বাংলা ব্যাংক লালাবাজার শাখার গ্রাহক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা সম্পন্ন লাউড়েরগড় আস্তানায় দানবাক্স তৈরি করে বছরে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাৎ সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহঃ) মাজারের উন্নয়নে অর্থ প্রদান করলেন দৈনিক যুগান্তরের ষ্টাফ রিপোর্টার হাবিব সরোয়ার আজাদ মোগলাবাজার থানায় নির্যাতিত নারীর অভিযোগ ১ মাস ফাইলচাপা এসএমপি কমিশনার বরাবরে আবেদনের খবর পেয়ে সাথে সাথে আইও বদল নির্মল সমীরণে আমাদের একদিন চঞ্চল মাহমুদ ফুলর দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাব, সিলেট’র নতুন সদস্য হতে আগ্রহীদের ফরম সংগ্রহের আহবান যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাবুল মিয়ার দেশে ফেরার আনন্দে মিলনমেলা
যান্ত্রিক ত্রুটিতে বন্ধ বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র

যান্ত্রিক ত্রুটিতে বন্ধ বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র

রুকুনুজ্জামান, পার্বতীপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুরের পার্বতীপুরে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের চালু থাকা সর্বশেষ ইউনিটটিও বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে ১২৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায়। ফলে উত্তরাঞ্চলের অন্তত ৮ জেলায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কেন্দ্রটির প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, বয়লারের পাইপ লিকেস হয়ে যাওয়া এবং কুলিং ফ্যান ভেঙে যাওয়ার কারণে রাত ১০টা ১০ মিনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।
তিনি বলেন, “মেরামত কাজ চলছে। উৎপাদন পুনরায় চালু করতে ৪ থেকে ৫ দিন সময় লাগতে পারে।”
এর আগে দীর্ঘদিন ধরে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ২ নম্বর ইউনিট এবং ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৩ নম্বর ইউনিট বন্ধ রয়েছে।
উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে মোট তিনটি ইউনিট রয়েছে, যার সম্মিলিত উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ২ নম্বর ইউনিটটি ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে যান্ত্রিক ত্রুটি ও সংস্কার কাজের কারণে দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। এরপর থেকে মূলত ১ ও ৩ নম্বর ইউনিট দিয়ে উৎপাদন চালানো হচ্ছিল।
তবে এই ইউনিটগুলোও বিভিন্ন সময় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে পড়ে। গত বছর (২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও অক্টোবর) বয়লার লিকেজ, টিউব ফেটে যাওয়া এবং টারবাইন সেন্সর নষ্ট হওয়ার মতো সমস্যায় উৎপাদন বন্ধ হয়েছিল।
বারবার এমন ত্রুটির কারণে পুরোনো এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এতে উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এদিকে জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত থাকলেও চাহিদা অনুযায়ী তা পাওয়া যাচ্ছে না। চলমান ভ্যাপসা গরমে (৩৫–৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস) পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। দিন-রাত বিভিন্ন সময়ে লোডশেডিংয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ।


Comments are closed.




© All rights reserved © sylheteralo24.com
sylheteralo24.com