May 6, 2026, 10:49 pm

বিজ্ঞপ্তি :::
Welcome To Our Website...
শিরোনাম ::
‘সিলেট ভিজুয়্যাল মিডিয়া ফ্রেন্ডস ক্লাব’-এর দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন হযরত শাহজালাল (রহ.)’র ওরসে প্রধানমন্ত্রীর গরু উপহার সংসদকে প্রাণবন্ত করতে কাজ করবে নারী এমপিরা : মির্জা ফখরুল তৃণমূলের ভরাডুবি, পশ্চিমবঙ্গে প্রথম ক্ষমতায় আসছে বিজেপি মোকামতলা মডেল প্রেসক্লাবের আয়োজনে বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস পালিত দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটিকে সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অভিনন্দন ‘লক্ষ্য অর্জনে’ ইরানে আবারও হামলার হুমকি ইসরায়েলের মৌলভীবাজারে ৮৯৭ হেক্টর ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী মহান মে দিবস আজ
‘ঝুঁকি নিয়েছি বলেই দেশে গণতন্ত্র এসেছে’ প্রধান বিচারপতিদের নিয়ে এ ধরনের খেলা অতীতে বারবার হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

‘ঝুঁকি নিয়েছি বলেই দেশে গণতন্ত্র এসেছে’ প্রধান বিচারপতিদের নিয়ে এ ধরনের খেলা অতীতে বারবার হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : ক্ষমতাসীন আ’লীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অবাধ ও নিরপেক্ষ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চায় তাদের দল। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় গণভবনে দলের কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদের যৌথ বৈঠকে তিনি বলেন, “আগামী নির্বাচন যাতে অবাধ ও নিরপেক্ষ হয়, সেটাই আমরা চাই।”
আগামী ১৮ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আ’লীগের সংলাপে দল থেকে যেসব প্রস্তাব দেওয়া হবে, তা চূড়ান্ত করতে এই যৌথ বৈঠক হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রধান বিচারপতিদের নিয়ে এ ধরনের খেলা অতীতে বারবার হয়েছে। ৯৬ থেকে আমরা ক্ষমতায় আসার পর যতজন বিচারককে নিয়োগ দিয়েছিলাম এক দিনে দশজন বিচারককে কনফার্ম করা হল তাদের পত্রপাঠ বিদায়। আমাদের নিয়োগকৃত সবাইকে তারা বিদায় দিয়ে দিল। অবশ্য কয়েকজন রিট করে কয়েকজন ফেরত এসেছেন।
এক এগারোর প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, পরবর্তীতে আমরা দেখলাম প্রধান বিচারপতির বয়স বাড়িয়ে দেয়া হলো ৬৫ থেকে ৬৭। যাতে করে ওই তত্ত্বাবধায়ক সরকার নামে যেটা করা হয়েছিল তার উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে করা যায়। সেজন্য তাদের দলের আন্তর্জাতিক সম্পাদক সম্পাদক কেএম হাসান তাকে বানাল। শেষ অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি করার জন্য চক্রান্ত করল। যাতে প্রধান উপদেষ্টা হয়ে তাদের ভোট চুরির সুযোগ করে দেন। তিনি বলেন, বিএনপি যখন ভুয়া ভোটার আইডি তৈরি করলো, তখন আমরা আন্দোলন করি। এসব কারণে আবার ইমারজেন্সি ঘোষণা করা হয়। এরপর দ্রুত ইলেকশন হবে ভেবেছিল, কিন্তু তখন ক্ষমতাকে ক্ষুক্ষিগত করার চেষ্টা করা হয়।
ওই সময়কার ঘটনা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তখন একজন বিচারপতিকে প্রেসিডেন্ট ডেকে চা খাইয়ে বললেন যে, আপনি পদত্যাগ করেন। এই যে অনিয়মগুলি আমরা প্রতিবাদ করার একদিন পরেই আমাকে বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার করা হল। তারা ওয়ারেন্ট বা সার্চ ওয়ারেন্ট কিছুই দেয়নি। তারা গায়ের জোরে আমাকে গ্রেফতার করল ও বাসা সার্চ করল। একের পর এক মিথ্যা মামলা দেয়া শুরু করল। কিন্তু তারপরও আমরা থেমে থাকিনি।
বিভিন্ন সময় নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গণতন্ত্রকে রক্ষা করার জন্য লড়াই করেছেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা যাতে বজায় থাকে সেজন্য নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়েছি। এক এগারোর সময় বলা হয়েছিল আমি ঢাকায় নামলে গুলি করা হবে বা কোথাও ফেলে দেওয়া হবে। আমি এসবের পরোয়া করিনি। আমার সবাই মারা গেছেন। আমরা দু’টো বোন ছাড়া। দেশের মানুষের জন্য যখন কাজ করতে এসেছি তখন কে মারবে এসব চিন্তা করে লাভ নেই। যতক্ষণ শ্বাস আছে দেশের জন্য কাজ করে যাব এবং গণতন্ত্রের কথা বলে যাব।


Comments are closed.




© All rights reserved © sylheteralo24.com
sylheteralo24.com