June 21, 2026, 12:55 pm

বিজ্ঞপ্তি :::
Welcome To Our Website...
শিরোনাম ::
সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহঃ) মাজারের উন্নয়নে অর্থ প্রদান করলেন দৈনিক যুগান্তরের ষ্টাফ রিপোর্টার হাবিব সরোয়ার আজাদ মোগলাবাজার থানায় নির্যাতিত নারীর অভিযোগ ১ মাস ফাইলচাপা এসএমপি কমিশনার বরাবরে আবেদনের খবর পেয়ে সাথে সাথে আইও বদল নির্মল সমীরণে আমাদের একদিন চঞ্চল মাহমুদ ফুলর দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাব, সিলেট’র নতুন সদস্য হতে আগ্রহীদের ফরম সংগ্রহের আহবান যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাবুল মিয়ার দেশে ফেরার আনন্দে মিলনমেলা কদমতলী ওভার ব্রিজ: প্রতিদিনের ভোগান্তি, সময়ের অপচয় বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারি সমন্বয় পরিষদ সিলেট বিভাগীয় জেলার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন ফুটপাত ভাড়া দিয়ে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি করছে অসাধু একটি চক্র কলম, সেবা আর দায়িত্বের আরেক নাম – ছাদিকুর রহমান সুহেল পুলিশ প্রতিনিধি ছাড়াই হচ্ছে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা আইন-শৃংখলা কমিটির সভা
সিভিল সার্জন ডা. তউহীদ আহমদ কল্লোলের বদলির পরের দিনই শুরু হয়েছে অনিয়ম ও দুর্নীতি

সিভিল সার্জন ডা. তউহীদ আহমদ কল্লোলের বদলির পরের দিনই শুরু হয়েছে অনিয়ম ও দুর্নীতি

সিলেটের আলো::  সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের সিভিল সার্জন ডা. তউহীদ আহমদ কল্লোলের বদলির পরের দিনই শুরু হয়েছে অনিয়ম ও দুর্নীতি।

শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি)  সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের জিনিসপত্র সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। হাসপাতালের নার্স রহিমা বেগম ও ওয়ার্ড বয় সোহাগ মিয়া নতুন এই হাসপাতালের জিনিসপত্র পাচারের সময় ধরা পড়েন। সিভিল সার্জন কল্লোল দায়িত্ব ছাড়ার ২৪ ঘণ্টা যেতে না যেতেই এমন ঘটনা ঘটেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, শুক্রবার বিকেলে হাসপাতালের পাশে গাড়ি নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন অ্যাম্বুলেন্স চালকরা। কিছুক্ষণ পর তারা দেখেন ওয়ার্ড বয় সোহাগ নতুন হাসপাতাল থেকে দুটি বালিশ, দুটি বেড-শিট এবং দুটি কম্বল নিয়ে বাইরে যাচ্ছেন। তারা সোহাগকে আটক করে জিনিসপত্র কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন জানতে চান।

এসব জিনিসপত্র নার্স রহিমা বাইরে রেখে আসতে বলেছেন বলে জানান সোহাগ। এ সময় নার্স রহিমা বেগম বাইরে এসে অ্যাম্বুলেন্স চালক ও স্থানীয়দের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ান। একই সঙ্গে সরকারি জিনিসপত্র কোথায় নিচ্ছি আপনাদের বলতে বাধ্য নই বলে জানিয়ে দেন নার্স রহিমা বেগম।

অ্যাম্বুলেন্স চালক মো. পারভেজ মিয়া বলেন, বিকেলে গাড়ির পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলাম আমরা। হঠাৎ দেখি হাসপাতালের বালিশ, কম্বল ও বেড-শিট চুরি করে নিয়ে যাচ্ছেন ওয়ার্ড বয় সোহাগ। এ সময় তাকে আটকে জিজ্ঞাসা করি এসব জিনিস কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন। তখন সোহাগ ফোন দিলে নার্স রহিমা এসে আমাদের বকাঝকা শুরু করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী অ্যাম্বুলেন্স চালক রুবেল আহমদ বলেন, ওই ছেলেকে জিজ্ঞেস করলে উত্তর দেয় সরকারি হাসপাতালের জিনিসপত্র বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছি। সরকারি জিনিসপত্র বাড়িতে নেয়ার অনুমতি কে দিয়েছে জানতে চাইলে নার্স রহিমার কথা জানায়। এ সময় নার্স এসে বলেন এসব জিনিসপত্র এসপির বাংলোয় পাঠাব নাকি আমার বাড়িতে পাঠাব তোমাদের জানার কি দরকার।

এ বিষয়ে ওয়ার্ড বয় সোহাগ বলেন, একজন আয়া এক নার্সের কাছ থেকে কম্বল, বেড-শিট এবং বালিশ নিয়ে আমার হাতে দিয়ে বাইরে নিয়ে যেতে বলেন। নার্স রহিমা বেগম এসব জিনিসপত্র দুদিনের জন্য আরেক নার্সকে দিতে বলেছেন। ওই নার্সের সমস্যা থাকায় রহিমা আপা আমাকে এগুলো নিয়ে যেতে বলেছেন।


Comments are closed.




© All rights reserved © sylheteralo24.com
sylheteralo24.com