August 5, 2026, 8:42 am

বিজ্ঞপ্তি :::
Welcome To Our Website...
শিরোনাম ::
সিলেট জেলার শ্রেষ্ট এএসআই হলেন কানাইঘাট থানার জিয়াউল হক দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাবের বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানে তাজরুল ইসলাম তাজুল ধীরগতির কারণে ৪২ নং ওয়ার্ডের সড়ক-ড্রেন কাজে জনদুর্ভোগ, দ্রুত কাজ শেষের দাবি ডাচ্ বাংলা ব্যাংক লালাবাজার শাখার গ্রাহক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা সম্পন্ন লাউড়েরগড় আস্তানায় দানবাক্স তৈরি করে বছরে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাৎ সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহঃ) মাজারের উন্নয়নে অর্থ প্রদান করলেন দৈনিক যুগান্তরের ষ্টাফ রিপোর্টার হাবিব সরোয়ার আজাদ মোগলাবাজার থানায় নির্যাতিত নারীর অভিযোগ ১ মাস ফাইলচাপা এসএমপি কমিশনার বরাবরে আবেদনের খবর পেয়ে সাথে সাথে আইও বদল নির্মল সমীরণে আমাদের একদিন চঞ্চল মাহমুদ ফুলর দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাব, সিলেট’র নতুন সদস্য হতে আগ্রহীদের ফরম সংগ্রহের আহবান যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাবুল মিয়ার দেশে ফেরার আনন্দে মিলনমেলা
মনোনয়ন চাইতে পারেন ৫ জন

মনোনয়ন চাইতে পারেন ৫ জন

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি : আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের বেশ কয়েক প্রার্থী মনোনয়নের জন্য লবিং গ্রুপিং চালাচ্ছেন। তবে বিএনপিতে কোনো লবিং গ্রুপিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। বিএনপিতে একজন প্রার্থীই রয়েছেন এ আসনে। আওয়ামী লীগের ৩ প্রার্থী মনোনয়ন পেতে চেষ্টা চলাচ্ছেন।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোয়ন পেতে যারা চেষ্টা চালাচ্ছেন তাদের মধ্যে বর্তমান এমপি আওয়ামী লীগে যোগদানকৃত তাহজীব আলম সিদ্দিকী সমি, সাবেক এমপি শফিকুল ইসলাম অপু ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ঝিনাইদহ পৌরসভার মেয়র সাইদুল করিম মিন্টু। অপর দিকে বিএনপির এক প্রার্থীই রয়েছেন। জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি মশিউর রহমান। এছাড়াও জাতীয় পার্টির (এরশাদ) একজন প্রার্থীর নামই শোনা যাচ্ছে। তিনি হচ্ছেন এনজিও সৃজনী বাংলাদেশের চেয়ারম্যান জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ড. হারুন অর রশিদ।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, ঝিনাইদহ সদর ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলার ২টি পৌরসভা, ২১টি ইউনিয়ন নিয়ে ঝিনাইদহ-২ আসন গঠিত। এ আসনে ৩ লাখ ৮৯ হাজার ৭৩৯ জন ভোটার। এর মধ্যে নারী ভোটার ১ লাখ ৯৬ হাজার ১৯৬ জন ও পুরুষ ১ লাখ ৯৩ হাজার ৫৪৩ জন। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে ১ লাখ ৬২ হাজার ৪৬৪ ভোটের মধ্যে বিএনপির প্রার্থী মশিউর রহমান পান ৭৬ হাজার ১ ভোট। তার নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মতিয়ার রহমান পান ৩৭ হাজার ১৬৬ ভোট। আর এ আসন থেকে জামায়াতে ইসলামীর আবুল কাশেম পান ৩৩ হাজার ৯৭৫ ভোট। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে বিএনপির মশিয়ার রহমান পান ৮৩ হাজার ৯৬৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের নুর-ই আলম সিদ্দিক পান ৬৯ হাজার ৩৫৩ ভোট, জায়ামাতের নুর মোহাম্মাদ পান ৪১ হাজার ২৪৭ ভোট। ২০০১ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নুর আলম সিদ্দিক পান ১ লাখ ১৭ হাজার ৭০৬ ভোট, এবং বিএনপির মশিউর রহমান পান ১ লাখ ৪৪ হাজার ৯৫১ ভোট। এ আসনে বিএনপির মশিউর রহমান নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে এ আসন থেকে আওয়ামী লীগের সফিকুল ইসলাম অপু নৌকা প্রতীকে পান ১ লাখ ৬১ হাজার ৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মশিউর রহমান পান ১ লাখ ৪৬ হাজার ৭৩৬ ভোট। সর্বশেষ ২০১৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সফিকুল ইসলাম অপু পান ৫১ হাজার ২৪৪ ভোট। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তাহজীব আলম সিদ্দিক পান ৬৭ হাজার ৯৮৪ ভোট। তাজীব আলম সিদ্দিক এ আসন থেকে নির্বাচিত হন।

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ঝিনাইদহ-২ আসন (হরিণাকুণ্ডু ও ঝিনাইদহ সদর) থেকে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে মশিউর রহমান (বিএনপি) এবং ২০০৮ সালে শফিকুল ইসলাম অপু (আওয়ামী লীগ) এবং ২০১৪ সালে নুরে আলম সিদ্দিকীর ছেলে তাহজীব আলম সিদ্দিকী সমি (স্বতন্ত্র ) প্রার্থী হিসেবে এমপি নির্বাচিত হন।


Comments are closed.




© All rights reserved © sylheteralo24.com
sylheteralo24.com