August 5, 2026, 9:43 am

বিজ্ঞপ্তি :::
Welcome To Our Website...
শিরোনাম ::
সিলেট জেলার শ্রেষ্ট এএসআই হলেন কানাইঘাট থানার জিয়াউল হক দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাবের বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানে তাজরুল ইসলাম তাজুল ধীরগতির কারণে ৪২ নং ওয়ার্ডের সড়ক-ড্রেন কাজে জনদুর্ভোগ, দ্রুত কাজ শেষের দাবি ডাচ্ বাংলা ব্যাংক লালাবাজার শাখার গ্রাহক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা সম্পন্ন লাউড়েরগড় আস্তানায় দানবাক্স তৈরি করে বছরে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাৎ সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহঃ) মাজারের উন্নয়নে অর্থ প্রদান করলেন দৈনিক যুগান্তরের ষ্টাফ রিপোর্টার হাবিব সরোয়ার আজাদ মোগলাবাজার থানায় নির্যাতিত নারীর অভিযোগ ১ মাস ফাইলচাপা এসএমপি কমিশনার বরাবরে আবেদনের খবর পেয়ে সাথে সাথে আইও বদল নির্মল সমীরণে আমাদের একদিন চঞ্চল মাহমুদ ফুলর দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাব, সিলেট’র নতুন সদস্য হতে আগ্রহীদের ফরম সংগ্রহের আহবান যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাবুল মিয়ার দেশে ফেরার আনন্দে মিলনমেলা
ভবানীগঞ্জে ক্রেতা সংকটে দিশেহারা আম ব্যবসায়ীরা

ভবানীগঞ্জে ক্রেতা সংকটে দিশেহারা আম ব্যবসায়ীরা

নাজিম হাসান,রাজশাহী থেকে : মহামারি করোনা সংকটে বাগমারা উপজেলার সদর ভবানীগঞ্জে আম ব্যবসায়ীরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। বাজারে ক্রেতার অভাবে আম ব্যবসায়ীরা তাদের পাকা আমগুলো বিক্রি করতে না পারায় দিশেহারা হয়ে পড়েন। বর্তমানে আম ব্যবসায়ী চরম বিপাকে পড়ে যায়। এবং আম বেপাপরীরা এখানে আসছে না আম ক্রয় করার জন্য। ফলে ভবানীগঞ্জ সহ আশেপাশের হাট বাজারগুলোতে আম ব্যবসায়ে ধ্বস নেমে আসে। ভবানীগঞ্জ বাজারে গতকাল শনিবার বিকালে বাজার ঘুরে ভালে মানের ল্যাংড়া আম বিক্রি হতে দেখা গেছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া এই হাটে ক্ষিরসাপাত আমও বিক্রি হয়েছে মাত্র ৩০/৩৫ টাকা কেজি দরে। এত সস্তা দরে আম নিয়ে এসেও বাজারে ক্রেতার অভাবে আমগুলো বিক্রি করতে পারছে না ব্যবসায়ীরা। আম ব্যবসায়ী সুজন আলী ও জব্বার জানান, তারা এবার আম বাগান কিনে দেড় থেকে দুই লক্ষ টাকা ক্ষতির মুখে পড়েছেন। বাগানের আমগুলো নিয়ে তারা কি করবেন তার কুলকিনারা করতে পারছেন না। আরেক আম ব্যবসায়ী আহাদ আলী জানান, তিনিও দুটি আম বাগান কিনে প্রায় দুই লাখ টাকা লোকসানের শিকার হয়েছেন। এখন আম গুলো পানির দরে বিক্রি করে দিতে চাইলেও ক্রেতা পাচ্ছেন না। এব্যাপারে উপজেলা কৃষি বলছেন , করোনায় আম কেনা বেচায় কোন বিধিনিষেধ নেই। কিন্তু কঅনেক ব্যবসায়ীরা ছোট বড় আম বাগান কিনে চরম লসের মুখে পড়ে বাগানের আমগুলো আর সংগ্রহ করতে যাচ্ছে না বাগান গুলোতে। ভবানীগঞ্জের বাজার ঘুরে ও আম ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হলে বাগামারায় গ্রামাঞ্চলে এর ব্যাপক সংক্রামন ছড়িয়ে পড়ে। সপ্তাহের ব্যবধানে আক্রান্তের সংখ্যা দেড়শ ছড়িয়ে যায় বলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্র সূত্রে জানা যায়। করোনা সংক্রামনের এই ব্যপক কথা ছড়িয়ে পড়ায় এবার রোনার কারণে লোকজন আম খেতে ভয় পাচ্ছে। যদিও আমের সাথে কনোনার কোন সম্পর্ক নেই। বরং আম খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসহ দেহের বিভিন্ন উপকার হবে।


Comments are closed.




© All rights reserved © sylheteralo24.com
sylheteralo24.com