November 4, 2026, 2:06 am

শিরোনাম ::
সিলেটে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ সমাবেশে বক্তারা ওসমানী হাসপাতালের হামলাকারী ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি পাবনায় বজ্রপাতে একসঙ্গে ছয়জনের মৃত্যু উপজেলা আইন-শৃংখলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দক্ষিণ সুরমাকে একটি আদর্শ উপজেলায় রূপান্তরিত করতে সহযোগিতা চাই—ইউএনও সিলেটে লাক্কাতুরা চা বাগানে পর্যটকের জোয়ার, সিএনজির ভাড়ায় নৈরাজ্যে আমায়রা কিডস্ এন্ড ক্যুইন ফ্যাশন-এর উদ্বোধন সৌদিতে ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে ৫৯ বিদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর ইনজুরিতে পড়া কাভারাৎসখেলিয়াকে নিয়ে রোনালদোর আবেগঘন বার্তা সাধারণ নাগরিকদের জীবন নিয়ে তামাশা করার অধিকার কারও নেই: জামায়াত আমির সিলেটে ইমিগ্রেশন থেকে আটক আওয়ামী লীগ নেতা কামাল চেয়ারম্যান ধুনট উপজেলা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা
করোনা আতঙ্কে এগিয়ে আসেনি কেউ, বাবার লাশ কাঁধে নিল চার কন্যা

করোনা আতঙ্কে এগিয়ে আসেনি কেউ, বাবার লাশ কাঁধে নিল চার কন্যা

করোনা আতঙ্কে এগিয়ে আসেনি কেউ, বাবার লাশ কাঁধে নিল চার কন্যা
সিলেটের আলোঃঃ     

করনা ঠেকাতে ভারতজুড়ে চলছে লকডাউন। প্রতি মুহূর্তে বলা হচ্ছে, বাঁচতে হলে একমাত্র অস্ত্র সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। আর সেই সামাজিক দূরত্বের কারণে এবার মৃত্যুর পর এক ব্যক্তির শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে যোগ দিল না কেউ।
উল্লেখ্য, ওই ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাননি। পরিস্থিতি দেখে তার শেষকৃত্যে এগিয়ে আসে তার চার মেয়ে। তারাই বাবার মরদেহ কাঁধে করে নিয়ে গেল শ্মশানে।
ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের আলিগড়ে। মৃত ব্যক্তির নাম সঞ্জয় কুমার।
স্থানীয় সূত্রে খবর, আলিগড়ের নুমাইশ ময়দানের চা-হেলিংয়ের বাসিন্দা ছিলেন বছর ৪৫ এর সঞ্জয় কুমার। পেশা চা বিক্রেতা হলেও বেশ কিছুদিন ধরে যক্ষ্মা রোগে ভুগছিলেন তিনি। অভাবের সংসারে সরকারি হাসপাতাল থেকে ওষুধ এনেই কোনও রকমে নিজের রোগের মোকাবিলা করছিলেন সঞ্জয়। এক মেয়ের বিয়ে হয়েছে, আর চার মেয়ে অভাবের কারণেই পড়াশোনা ছেড়ে ঘরের কাজ করে।
তবে চরম দারিদ্রতার মধ্যেও কারও সাহায্য নেননি সঞ্জয় কুমার। সম্প্রতি তার শরীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। কিন্তু ভারতজুড়ে চলছে লকডাউন। সরকারি হাসপাতালেও ওষুধের সঙ্কট। এই পরিস্থিতিতে বাইরে থেকে ওষুধ কিনে খাওয়া সম্ভব ছিল না তার পক্ষে। শেষরক্ষা হয়নি আর। অবশেষে মারা গেলেন তিনি।
কিন্তু আতঙ্ক আর সামাজিক দূরত্ব কারণে তার মৃত্যুর পর সৎকারের কাজেও এগিয়ে আসেনি কেউ। শেষে চার মেয়েই কাঁধে করে বাবার মরদেহ নিয়ে যায় শ্মশানে। সেখানেই হয় শেষকৃত্য।


Comments are closed.




© All rights reserved © sylheteralo24.com
sylheteralo24.com