August 5, 2026, 8:42 am

বিজ্ঞপ্তি :::
Welcome To Our Website...
শিরোনাম ::
সিলেট জেলার শ্রেষ্ট এএসআই হলেন কানাইঘাট থানার জিয়াউল হক দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাবের বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানে তাজরুল ইসলাম তাজুল ধীরগতির কারণে ৪২ নং ওয়ার্ডের সড়ক-ড্রেন কাজে জনদুর্ভোগ, দ্রুত কাজ শেষের দাবি ডাচ্ বাংলা ব্যাংক লালাবাজার শাখার গ্রাহক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা সম্পন্ন লাউড়েরগড় আস্তানায় দানবাক্স তৈরি করে বছরে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাৎ সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহঃ) মাজারের উন্নয়নে অর্থ প্রদান করলেন দৈনিক যুগান্তরের ষ্টাফ রিপোর্টার হাবিব সরোয়ার আজাদ মোগলাবাজার থানায় নির্যাতিত নারীর অভিযোগ ১ মাস ফাইলচাপা এসএমপি কমিশনার বরাবরে আবেদনের খবর পেয়ে সাথে সাথে আইও বদল নির্মল সমীরণে আমাদের একদিন চঞ্চল মাহমুদ ফুলর দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাব, সিলেট’র নতুন সদস্য হতে আগ্রহীদের ফরম সংগ্রহের আহবান যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাবুল মিয়ার দেশে ফেরার আনন্দে মিলনমেলা
তিন উপজেলায় বাঁধে ধস, বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত

তিন উপজেলায় বাঁধে ধস, বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল ,গাইবান্ধা : বন্যার পানির চাপে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ, সাঘাটা ও পলাশবাড়ী উপজেলায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের পাঁচ স্থান ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় করতোয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের হাতিয়াদহ পয়েন্টে প্রায় ৪০ ফিট অংশ ভেঙে ২৫ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের বিশ্বনাথপুরে কাঁচা রাস্তা ধসে উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে পাঁচ গ্রামের মানুষের।

সাঘাটা উপজেলার ভরতখালী ইউনিয়নের দুটি বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। বিকেল ৩টার দিকে ভরতখালী ইউনিয়নের ভাঙ্গামোড় গ্রামের নীলকুঠি সাংকিভাঙ্গা বাঁধ ও ক্রস বাঁধ পানির চাপে ধসে যায়।

দুপুরে পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের চেরেঙ্গা বাঁধের ৩০ ফুট ভেঙে যায়। উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের টোংরারদহ এলাকায় করতোয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ৬০ ফুট অংশ ধসে যায়। এতে ১৬টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

ঝুঁকিতে রয়েছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ফুলছড়ি উপজেলার সিংড়া-রতনপুর, কাতলামারী ও গাইবান্ধা পৌর শহরের ডেভিট কোম্পানী পাড়াসহ অন্তত ১০টি পয়েন্ট।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহাবুবুর রহমান জানান, ধসে যাওয়া বাঁধ রক্ষা ও ঝঁকিপূর্ণ বাঁধের বিভিন্ন পয়েন্টে ভাঙন ঠেকাতে সেনাবাহিনীর ৮৫ জন সদস্য কাজ করছেন।তিন উপজেলায় বাঁধে ধস, বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল ,গাইবান্ধা ঃ বন্যার পানির চাপে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ, সাঘাটা ও পলাশবাড়ী উপজেলায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের পাঁচ স্থান ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় করতোয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের হাতিয়াদহ পয়েন্টে প্রায় ৪০ ফিট অংশ ভেঙে ২৫ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের বিশ্বনাথপুরে কাঁচা রাস্তা ধসে উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে পাঁচ গ্রামের মানুষের।

সাঘাটা উপজেলার ভরতখালী ইউনিয়নের দুটি বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। বিকেল ৩টার দিকে ভরতখালী ইউনিয়নের ভাঙ্গামোড় গ্রামের নীলকুঠি সাংকিভাঙ্গা বাঁধ ও ক্রস বাঁধ পানির চাপে ধসে যায়।

দুপুরে পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের চেরেঙ্গা বাঁধের ৩০ ফুট ভেঙে যায়। উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের টোংরারদহ এলাকায় করতোয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ৬০ ফুট অংশ ধসে যায়। এতে ১৬টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

ঝুঁকিতে রয়েছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ফুলছড়ি উপজেলার সিংড়া-রতনপুর, কাতলামারী ও গাইবান্ধা পৌর শহরের ডেভিট কোম্পানী পাড়াসহ অন্তত ১০টি পয়েন্ট।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহাবুবুর রহমান জানান, ধসে যাওয়া বাঁধ রক্ষা ও ঝঁকিপূর্ণ বাঁধের বিভিন্ন পয়েন্টে ভাঙন ঠেকাতে সেনাবাহিনীর ৮৫ জন সদস্য কাজ করছেন।


Comments are closed.




© All rights reserved © sylheteralo24.com
sylheteralo24.com